সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

লেয়ার মুরগির ঠোট কাটিং....
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি
অামাদের নিজস্ব লেয়ার মুরগি। যা দিয়ে ভবিষ্যৎ এ বাচ্চ করা হবে এবং বিক্রয়  করা হবে।  
ফার্ম পড়াশোনা শেষ করে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীরা গতানুগতিক চাকরি বা ব্যবসার আশায় বসে থাকে। এ সকল চাকরি বা ব্যবসার আশায় না থেকে আমরা যদি নিজেরাই আত্দকর্মসংস্থানের জন্য কিছু গঠনমূলক কাজ করি তাহলে আমাদের ভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে সমাজকেও আমরা কিছু উপহার দিতে পারব। এজন্য দরকার আত্দবিশ্বাস এবং কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠা। সমাজে এমন অনেক ব্যতিক্রমী পেশা রয়েছে যেখানে একটু পরিশ্রম ও চিন্তাভাবনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করলে সফলতা দরজায় এসে কড়া নাড়বে। আমাদের ক্যারিয়ার পাতায় প্রতিদিনই আমরা চেষ্টা করি কিছু গঠনমূলক প্রজেক্টের ধারণা দিতে। আজকে এরকম একটি প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করা হলো। এটি হলো ডেইরি ফার্ম। বাংলাদেশে এখন সফল ডেইরি ফার্মের সংখ্যা অনেক। দিন দিন এর চাহিদা ও বাজার বাড়ছে। একদিকে যেমন এ থেকে আদর্শ খাবার হিসেবে দুধ, আমিষের চাহিদা মেটাতে মাংস এবং জ্বালানি হিসেবে গোবর ও জৈব সার পাওয়া যাবে, তেমনি অন্যদিকে এ খাত থেকে বেশ ভালো আয় করাও সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে অল্পবিস্তর জ্ঞান থাকতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ নিলে। প্রাথমিক প্রয়োজন :...
লেয়ার মুরগীর বিস্তারিত পরিপালন লেয়ার মুরগি হলো ডিম উৎপাদনের জন্য বিশেষ ধরনের মুরগি যাদেরকে একদিন বয়স থেকে পালন করা হয়, যারা ১৮ থেকে ১৯ সপ্তাহ বয়সে ডিম দিতে শুরু করে এবং উৎপাদনকাল ৭২ থেকে ৭৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত স্হায়ী হয়। ডিম উৎপাদনকালীন সময়ে এরা গড়ে প্রায় সোয়া দু'কেজি খাবার খেয়ে এক কেজি ডিম উৎপাদন করে। হাইব্রিড লেয়ার ডিম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে কাঙিখত বশিষ্ট্য বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন ধরনের মোরগ-মুরগির মিলন ঘটিয়ে ক্রমাগত ছাঁটাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘ গবেষণার পর সৃষ্ট অধিক ডিম পাড়া মুরগিকে হাইব্রিড লেয়ার বলে। লেয়ার জাতের নাম ডিমের প্রকৃতি বা রং অনুসারে লেয়ার মুরগি দুই ধরনের: (ক) সাদা ডিম উৎপাদনকারী: এরা তুলনামূলক ভাবে আকারে ছোট। তুলনামূলকভাবে কম খাদ্য খায়, ডিমের খোসার রং সাদা। যেমন: ইসা হোয়াইট, লোহম্যান হোয়াইট, নিকচিক, ব্যবকক-বিভি-৩০০, হাবার্ড হোয়াইট, হাই সেক্স হোয়াইট, শেভার হোয়াইট, হাইলাইন হোয়াইট, বোভান্স হোয়াইট। (খ) বাদামী ডিম উৎপাদনকারী: তুলনামূলকভাবে আকারে বড়, খাদ্য বেশি খায়, ডিমের আকার বড়, ডিমের খোসার রং বাদামী। যেমন: ইসা ব্রাউন, হ...
বাংলাদেশে তিতির পাখি পালনের সুযোগ, সম্ভাবনা ও গুরুত্ব ভূমিকা পোল্ট্রির মোট ১১টি প্রজাতির মধ্যে একটি হলো তিতির, যার ইংরেজী নাম Guinea fowl। শোভাবর্ধনকারী পাখি (Ornamental bird) হলেও সুস্বাদু মাংস এবং ডিমের জন্য শত শত বৎসর যাবত তিতির পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পালিত হয়ে আসছে। আফ্রিকা মহাদেশে উৎপত্তি এ পাখিটি আগে বাংলাদেশের প্রধানত রাজশাহী, রংপুর, চুয়াডাঙ্গা, নওগাঁ, নরসিংদী, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল অঞ্চলে বিশেষ ভাবে চোখে পড়ত। স্থানীয় জনগণ এই পাখিকে চীনা মুরগী নামে ডাকত এবং গ্রামীণ পরিবেশে হাঁস-মুরগীর সাথে পালন করত। বর্তমানে সৌখিন ব্যক্তিরা এদেরকে পালন করে থাকেলেও বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে তিতির পালন ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে। বাহ্যিক বৈচিত্র্যতার ভিত্তিতে তিতির পাখির শ্রেনীবিন্যাস পালকের রং-এর ভিত্তিতে এ পাখিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ক) পার্ল ভ্যারাইট-এই ধরণের তিতির পাখি সাধারণত ধুসর পালকের অধিকারী। পালকে নিয়মিত ভাবে ফোটা ফোটা সাদা দাগ থাকে। দেখতে খুব আকর্ষনীয় হওয়ায় পালকগুলো সৌন্দর্য বর্ধনের উপকরণ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। খ) লেভেনডার ভ্যারাইটি -পালকের বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প...