সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
টার্কি পাখির মাংসের উপকারিতা : * টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশী, চর্বিকম ।তাই গরু কিংবা খাসীর মাংসের বিকল্প হতে পারে। * টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, বি৬ও ফসফরাস থাকে।এ উপাদান গুলো মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী । * নিয়মিত এই মাংস খেলে কোলেস্টোরল কমে যায়। * টার্কির মাংসে এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। * টার্কির মাংসে 'ভিটামিন ই' অধিক পরিমাণে থাকে । এছাড়াও টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হতে পারে । পাশাপাশি দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে । যাদের অতিরিক্ত চর্বি যুক্ত মাংস খাওয়া নিষেধ অথবা যারা নিজেরাই এড়িয়ে চলেন, কিংবা যারা গরু / খাসীর মাংস খায়না , টার্কি তাদের জন্য হতে পারে প্রিয় একটি বিকল্প । তাছাড়া বিয়ে, বৌ –ভাত, জন্মদিন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাসীর/গরুর মাংসের বিকল্প হিসেবে টার্কির মাংস হতে পারে অতি উৎকৃষ্ট একটি খাবার এবং গরু / খাসীর তুলনায় খরচও হবে কম । পশ্চিমা দেশগুলোতে টার্কি অধিক জনপ্রিয়। সবচেয়ে বেশি টাার্কি পালন করা হয় মার্কিন যুক্তরাস্ট্র, কানাডা , জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড, যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশে। বর্তমানে পৃথিবীতে আমেরিকা (USA) সর্ব্বোচ টার্কি উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে বিবেচিত। বছরে প্রায় ২৫ লক্ষ টন টার্কি মাংস শুধুমাত্র আমেরিকায় উৎপন্ন হয়। সমগ্র ইউরোপে প্রায় ১৭.৫ লক্ষ টন টার্কি মাংস উৎপাদিত হয়। এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্য প্রাচ্যের মানুষ বছরে প্রায় ৪.৫ লক্ষ টন টার্কি মাংস ভক্ষণ করে থাকেন। বিখ্যাত টিভি সিরিজ মিস্টার বিন এর নায়ক রোয়ান এটকিনসনকে টার্কির মাংস নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ার দৃশ্য খুব বেশি দিন আগের কথা নয় যা হতে বুঝা যায় উন্নত বিশ্বে বিভিন্ন অনুষ্টান ও উপলক্ষতে টার্কির মাংস ব্যাপকভাবে প্রচলিত। টার্কি পালনের সুবিধাসমূহ: ১) টার্কি বাণিজ্যিকভাবে মাংস, ডিম ও পোষা প্রাণী হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। ২) টার্কি পালনে বাড়তি কোনো ঝামেলা নেই। ৩) টার্কি বাণিজ্যিকভাবে মাংস উৎপাদনকারী একটি প্রজাতি তবে ডিমের জন্য নয়। ৪) টার্কি ব্রয়লার মুরগি ও শুকরের চেয়ে দ্রুত বাড়ে। ৫) টার্কি পালনে খাদ্য খরচ কম কারণ এরা দানাদার খাদ্যের চেয়ে ঘাস, লতা-পাতা জাতীয় খাদ্য বেশি খায়। ৬) টার্কি যেহেতু দেখতে খুব সুন্দর তাই এরা বাড়ির সৌর্ন্দয বর্ধনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ৭) টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ অন্য প্রজাতির পোল্ট্রির চেয়ে বেশি এবং চর্বির আধিক্য কিছুটা কম। ৮) টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ আয়রন, জিংক, পটাসিয়াম, ফসফরাস থাকে। এ উপাদানগুলো মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী এবং নিয়মিত এ মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায়। ৯) টার্কির মাংসে এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফ্যান অধিক পরিমাণে থাকে বিধায় এদের মাংস শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্বিতে সহায়তা করে। ১০) টার্কির মাংসে ভিটামিন ই অধিক পরিমাণে থাকে যা এন্টিঅক্সিডেন্ট ও রোগ প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। ১১) অন্যান্য পাখীর তুলনায় এর রোগ বালাই কম এবং কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে রোগ বালাইয়ের ঝুকিঁ কম।

                 _______এড়াও অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার জন্য কল করুন :- ০১৯৩৭-৭৭৫৮২৮

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অামাদের নিজস্ব লেয়ার মুরগি। যা দিয়ে ভবিষ্যৎ এ বাচ্চ করা হবে এবং বিক্রয়  করা হবে।  
লেয়ার মুরগীর বিস্তারিত পরিপালন লেয়ার মুরগি হলো ডিম উৎপাদনের জন্য বিশেষ ধরনের মুরগি যাদেরকে একদিন বয়স থেকে পালন করা হয়, যারা ১৮ থেকে ১৯ সপ্তাহ বয়সে ডিম দিতে শুরু করে এবং উৎপাদনকাল ৭২ থেকে ৭৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত স্হায়ী হয়। ডিম উৎপাদনকালীন সময়ে এরা গড়ে প্রায় সোয়া দু'কেজি খাবার খেয়ে এক কেজি ডিম উৎপাদন করে। হাইব্রিড লেয়ার ডিম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে কাঙিখত বশিষ্ট্য বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন ধরনের মোরগ-মুরগির মিলন ঘটিয়ে ক্রমাগত ছাঁটাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘ গবেষণার পর সৃষ্ট অধিক ডিম পাড়া মুরগিকে হাইব্রিড লেয়ার বলে। লেয়ার জাতের নাম ডিমের প্রকৃতি বা রং অনুসারে লেয়ার মুরগি দুই ধরনের: (ক) সাদা ডিম উৎপাদনকারী: এরা তুলনামূলক ভাবে আকারে ছোট। তুলনামূলকভাবে কম খাদ্য খায়, ডিমের খোসার রং সাদা। যেমন: ইসা হোয়াইট, লোহম্যান হোয়াইট, নিকচিক, ব্যবকক-বিভি-৩০০, হাবার্ড হোয়াইট, হাই সেক্স হোয়াইট, শেভার হোয়াইট, হাইলাইন হোয়াইট, বোভান্স হোয়াইট। (খ) বাদামী ডিম উৎপাদনকারী: তুলনামূলকভাবে আকারে বড়, খাদ্য বেশি খায়, ডিমের আকার বড়, ডিমের খোসার রং বাদামী। যেমন: ইসা ব্রাউন, হ...